একটি সফল গণবিপ্লবের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ একমাত্র আপোষহীন নেত্রী- মিনার রশিদ

কটি সফল গণবিপ্লবের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ একমাত্র আপোষহীন নেত্রী তিনি।

৭ই নভেম্বরকে তাঁর মত কাছ থেকে দেখেছেন এমন কোনো দ্বিতীয় ব্যক্তি এখন জীবিত নেই। আমাদের ইতিহাসের অনেক বাকের তিনি শুধু প্রথম বা দ্বিতীয় প্রত্যক্ষদর্শীই নন- অনেক ইতিহাসের সৃষ্টি হয়েছে তাঁরই হাত ধরে।

তিনি স্বাধীনতার ঘোষকের অর্ধাঙ্গিনী। তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডারের জীবন সঙ্গিনী। তিনি দেশের সবচেয়ে ব্রিলিয়েন্ট সেনাপ্রধানের স্ত্রী। তিনি দেশের সবচেয়ে সফল প্রেসিডেন্টের পত্নী। তিনি দেশের তিন তিন বারের প্রধানমন্ত্রী। তিনি দেশের দুইবারের বিরোধীদলীয় নেত্রী!

দেশ ও জাতির ক্রান্তি লগ্নে তিনি উদ্ধার কর্তা হয়েছিলেন, এক স্বৈরশাসকের কব্জা থেকে দেশ ও দেশের গণতন্ত্রকে উদ্ধারও করেছিলেন! পরবর্তি স্বৈর শাসকের পদধ্বনি তিনি টের পেয়েছিলেন। জাতিকে সঠিক সময়ে সতর্কও করেছিলেন। দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও বলে একটা প্রফেটিক ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের। আমরা সেই ডাকের মর্ম তখন উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছি। সঙ্গত কারণেই আমাদের সেই উদ্ধাকারীকে বাঁচাতে আজ আমরা কিছুই করতে পারছি না!

দস্যুরাণীর সাঙ্গপাঙ্গরা বেগম জিয়াকে প্রেসিডেন্টের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে! একজন ব্যক্তির নাজুক শারীরিক পরিস্থিতি এবং পরিবারের বিধ্বস্ত মানসিক অবস্থাকে একটি মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায়ে কাজে লাগাতে চাচ্ছে! এটি নি:সন্দেহে দল ও পরিবারের উপর মারাত্মক মানসিক চাপ! আশা করি দল এবং পরিবার এই কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে। এই মহিয়ষী নারীর জীবন এবং সম্মান যদি মুখোমুখি হয়ে পড়ে – তবে সম্মানকেই বড় করে দেখা উচিত।

তিনি শুধু তারেক রহমানের মা কিংবা জাইমা রহমানের দাদিই নহেন – তিনি এদেশের গণতন্ত্রেরও মা । ব্যক্তি খালেদা জিয়ার দেহাবসান হলেও তাঁর সেই স্পিরিটটি অনেকদিন জাগ্রত থাকবে- জাতির বুকে চেপে বসা জগদ্দল পাথরের মত এই স্বৈর শাসককে অপসারন করতে! এই জায়গায় তাঁকে কোনো অবস্থাতেই পরাজিত করা যাবে না। এই দেশে দস্যুরাণী কিংবা দস্যুরাজা অনেক আসবে- কিন্তু খালেদা জিয়া খুব বেশি আসবে না।

ওয়াকেবহাল মহল তার উপর স্লো- পয়জনিং প্রয়োগের যে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন তাঁর একটি সাপোর্টিং ডকুমেন্ট পেশ করেছেন পিনাকী ভট্টাচার্য। পেশাগত জীবনে ডাক্তার অত্যন্ত জনপ্রিয় এই লেখক কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উথ্থাপন করেছেন। তাঁর সেই ভিডিও প্রোগ্রামটির লিংক- https://youtu.be/s1C90kyMdzs ​সবাইকে এটি দেখার অনুরোধ রইল।

​তিনি তাঁর সেই একাডেমিক গবেষণায় সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে বিষ প্রয়োগ ছাড়া খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস হওয়ার আর কোনো ব্যাখ্যা নেই। তিনি দেখিয়েছেন ২০১৯ সালে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ পরিস্থিতি নিয়ে বিএসএমএমইউ থেকে একটি রিপোর্ট উচ্চ আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে অন্য চারটি রোগের কথা উল্লেখ থাকলেও লিভার সিরোসিসের কথা উল্লেখ ছিল না। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এই অতি অল্প সময়ে লিভার সিরোসিস রোগের জন্ম হতে পারে না বলে এই চিকিৎসক জানিয়েছেন। এর ফলে তাঁর উপর স্লো পয়জনিং এর সন্দেহটিই আরো ঘনীভূত হচ্ছে!

যারা তাঁকে এই মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে সেই ঘাতককে এদেশের মানুষ কোনোদিন ক্ষমা করবে না! কোনও দিন না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous post আইনজীবীদের মানবতার কল্যাণে কাজ করতে হবে : স্পিকার
Next post দুদকের কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুতি নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা দূর করার আহ্বান টিআইবির