যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে চীনা বিমান কিনতে যাচ্ছে আমিরাত

একটি আশ্চর্যজনক পদক্ষেপে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৩ ফেব্রুয়ারী ঘোষণা করেছে যে, তারা ১২টি এল-১৫ উন্নত জেট প্রশিক্ষণ বিমান কেনার জন্য চীনের ন্যাশনাল অ্যারো-টেকনোলজি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশন (সিএটিআইসি) এর সাথে চুক্তি করার পরিকল্পনা করছে। চুক্তিতে আরও ৩৬টি বিমান কেনার বিকল্পও রাখা হবে।

আমিরাত তার মার্কিন বিএই সিস্টেমস হকস বিমান বহর প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি নতুন জেট প্রশিক্ষক নিয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত আসে। সিএটিআইসি-এর জন্য, মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে সক্ষম বিমান বাহিনী সম্পন্ন একটি দেশের দ্বারা তাদের তৈরি এল-১৫ বিমানটি নির্বাচন করা অবশ্যই মর্যাদাপূর্ণ এবং এটি অন্যত্র দেশে এই বিমান রফতানির সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।

প্রায়শই ফ্যালকন নামে পরিচিত, এল-১৫ কে সিএটিআইসি একটি টুইন-ইঞ্জিন, সুপারসনিক-সক্ষম লিড-ইন ফাইটার প্রশিক্ষক প্ল্যাটফর্ম হিসাবে বর্ণনা করেছে যা লিওনার্দোর এম৩৪৬ এবং রাশিয়ান ইয়াকভলেভ ইয়াক-১৩০-এর বিমানের কনফিগারেশনের অনুরূপ, যা সমান্তরালভাবে তৈরি করা হয়েছিল ১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে।

হংডু এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি গ্রুপ দ্বারা নির্মিত, এল-১৫ বিমান ২০০৬ সালে প্রথম ফ্লাইট করেছিল; এ বিমানটি এ পর্যন্ত জাম্বিয়ায় রফতানি করা হয়েছে এবং অল্প সংখ্যক চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্সের সাথেও কাজ করছে, যেখানে এটি জেএল-১০ হিসাবে মনোনীত হয়েছে। সূত্র: এভিয়েশন উইক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous post প্রবাসীর পুরুষাঙ্গ কেটে পালিয়েছে এক সন্তানের জননী
Next post কোনঠাসা কিয়েভ, পরিকল্পিতভাবে এগোচ্ছে রুশ সেনা