রাজকীয় সম্মাননার বিনিময়ে ঘুষ নিতেন প্রিন্স চার্লস

প্রিন্স অফ ওয়েলসের দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘দ্য প্রিন্সেস ফাউন্ডেশন’-এর বিরুদ্ধে আনা অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত করছে যুক্তরাজ্য পুলিশ।

বুধবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, রাজকীয় সম্মাননা ও নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক সৌদি নাগরিকের কাছ থেকে অর্থ পুরস্কার নেওয়ার যে অভিযোগ এসেছে চার্লসের বিরুদ্ধে, তার তদন্ত শুরু হয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে ইংলিশ দৈনিক সানডে টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মাহফুজ মারেই মুবারক বিন মাহফুজ নামের এক কোটিপতি প্রিন্স চার্লসের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ফিক্সারদের হাজার হাজার পাউন্ড অর্থ প্রদান করেছিলেন। ফিক্সাররা তাকে রাজকীয় সম্মাননার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল।

২০১৬ সালের নভেম্বরে বাকিংহাম প্যালেসে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে বিন মাহফুজকে রাজকীয় সম্মাননা, সিবিই (কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার) পদকে ভূষিত করা হয়। নাইটহুডের মতো সর্বোচ্চ ছয়টি রাজকীয় সম্মাননার একটি সিবিই।

চার্লসের রাজকীয় বাসস্থান, ক্ল্যারেন্স হাউজ এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছে। আর প্রিন্সেস ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

চার্লসের দাতব্য প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে বড় দাতাদের মধ্যে একজন বিন মাহফুজ। তার নামে একটি বনেরও নামকরণ করেছে রাজ পরিবার। স্কটল্যান্ডে অবস্থিত রানিমাতার সাবেক বাসভবন, ক্যাসেল অব মে’র পাশে অবস্থিত বনটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাহফুজ উড’।

মাহফুজের পক্ষ থেকে দাতব্য সংস্থায় আসা ১৫ লাখ পাউন্ডের দান চার্লসের বাসস্থান সংস্কারে ব্যবহৃত হয়েছে। মাহফুজকে একজন পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে প্রিন্সেস ফাউন্ডেশন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous post আফগান মানবিক সঙ্কট বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনের যৌথ আয়োজক হবে ব্রিটেন
Next post আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ‘গুম’ শিশু সাফা’র বাবা