এবার যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ঠাণ্ডা’ করতে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকল রাশিয়া

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার অনুরোধে শুক্রবার জরুরি বৈঠকে বসছে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ। ইউক্রেনে জীবাণু অস্ত্র তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র অর্থায়ন করছে বলে রাশিয়া যে অভিযোগ তুলেছে, তা নিয়ে আজ নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা হবে। খবর বিবিসির।

ইউক্রেনে রুশ হামলা আজ ১৬তম দিনে গড়িয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়া অভিযোগ করে, ইউক্রেনে জীবাণু অস্ত্র তৈরির কর্মসূচিতে অর্থায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে রাশিয়ার এই অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা উল্টো বলছে, মস্কোর অভিযোগ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে রাশিয়া সম্ভবত ইউক্রেনে রাসায়নিক ও জীবাণু অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে।

এমন প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা পরিষদকে এ নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকার অনুরোধ জানায় রাশিয়া। রাশিয়ার এই অনুরোধ গ্রহণ করে নিরাপত্তা পরিষদ। বৈঠকের জন্য আজ সময় নির্ধারণ করা হয়।

পশ্চিমা দেশগুলোর ভাষ্য, ইউক্রেনে ভবিষ্যতে জীবাণু ও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনাকে ‘ন্যায্যতা’ দিতে রাশিয়া এ নিয়ে এখন বানোয়াট অভিযোগ তুলেছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জীবাণু অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন, ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে এই অস্ত্র ব্যবহারের জন্য রাশিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রাশিয়ার অনুরোধে নিরাপত্তা পরিষদের অনুষ্ঠেয় বৈঠকের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘের মার্কিন মিশনের এক মুখপাত্র। তিনি বলেন, রাশিয়া বিশ্বকে ধোঁকা দিতে চাইছে অথবা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর মঞ্চ হিসেবে জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস এক বিবৃতিতে বলেন, ক্রেমলিন ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা প্রচার করছে। ইউক্রেনে ভয়ংকর কর্মকাণ্ডকে ন্যায্যতা দিতে মিথ্যা অজুহাত দিচ্ছে রাশিয়া।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকিও। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জীবাণু অস্ত্র গবেষণাগার ও ইউক্রেনের রাসায়নিক অস্ত্র তৈরি নিয়ে রাশিয়ার দাবি অযৌক্তিক। রাশিয়া এখন এসব মিথ্যা দাবি করছে। আর মস্কোর এসব প্রচারণায় সমর্থন দিচ্ছে চীন।

উৎসঃ dailynayadiganta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous post সোমবার সারাদেশে হরতাল
Next post দুই ‘ফর্মুলা’য় বিএনপিসহ বিরোধী জোটে মতানৈক্য