মানুষ এখন আর আ.লীগ-বিএনপিকে বিশ্বাস করে না

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেছেন, মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে জাতীয় পার্টি কখনোই পিছপা হবে না। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের রাজনীতি।

শনিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে এক যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, দেশের মানুষ ভালো নেই। ঠুনকো কারণ দেখিয়ে সরকার জ্বালানি তেল, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে পরিবহণ ব্যয় বেড়ে গেছে। পরিবহণ ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার অজুহাতে প্রতিদিন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। প্রতিদিন মানুষের ব্যয় বাড়ছে কিন্তু আয় বাড়ছে না। অর্থের অভাবে সাধারণ মানুষের সংসার চালাতে নাভিশ্বাস উঠেছে। বেশিরভাগ মানুষই প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছে না। দেশে বেকারের সংখ্যা বেড়েই চলছে, তাদের জন্য কাজের সংস্থান নেই। এমন বাস্তবতা থেকে মুক্তি চায় দেশের মানুষ।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দিন মো. জীবন চৌধুরী জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের হাতে ফুল দিয়ে পার্টিতে যোদ দেন। এ সময় তাকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান।

জিএম কাদের বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি দেশের অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে। দেশের মানুষ এখন আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে বিশ্বাস করে না। তারা বিকল্প শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়। তাই দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতেই জাতীয় পার্টিকে সংগঠিত হতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, হাবিবুর রহমান, সুনীল শুভরায়, এসএম ফয়সাল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি, এমএম নিয়াজ উদ্দিন, আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, হেনা খান পন্নী, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আল মাহমুদ, যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. বেলাল হোসেন, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন, সাইফুদ্দিন খালেদ, মাখন সরকার, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য এমএ রাজ্জাক খান, অ্যাডভোকেট শাকিব রহমান, যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন মৃধা, তিতাস মোস্তফা, আলাউদ্দিন মৃধা, লোকমান ভূঁইয়া রাজু, এসএম রহমান পারভেজ, মাহমুদ আলম, ব্যারিস্টার সারা, কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুজ্জামান টিটু, ফজলে এলাহি সোহাগ, নাজমুল খান, শেখ মো. ফায়েজুল্লাহ শিপন, এসএম ওহাব, হুমায়ুন কবির শাওন, এনএম সেলিম, আব্দুস সাত্তার, কুনু মিয়া, পেয়ারুল হক হিমেল, রিনা আক্তার তুলি, মিথিলা রোওজ, নাহা ইতি, ইঞ্জিনিয়ার এলাহ উদ্দিন, আবদুস সালাম লিটন, মোড়ল জিয়া ও জিলুর রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous post স্বাধীনতাবিরোধীরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে: ইসলামী ঐক্যজোট
Next post দুর্নীতি বন্ধ না করলে পিঠের চামড়া থাকবে না: মির্জা ফখরুল