সরকারের বিরুদ্ধে যে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদ বলেছেন, ‘সমমনা বিরোধী দলগুলোর অংশগ্রহণে রাজনৈতিক বৃহত্তর ঐক্য হচ্ছে। সামনে যুগপৎ কর্মসূচি আসছে।

মার্চের মধ্যেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। রাজনৈতিক দল ও নেতাদেরকে যার যার অবস্থান থেকে এতে অংশগ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘এই সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলন হবে। তবে তারমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি শর্ত হলো— বিভিন্ন দল থেকে ইতোপূর্বে বহিষ্কৃত নেতাদের এই বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্যের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।’

বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসএ’র নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন অলি আহমদ। কয়েকদিন আগে ঐক্য প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ কয়েকজন নেতা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সরকারবিরোধী বৃহৎ রাজনৈতিক ঐক্য প্রক্রিয়া সম্পর্কে অলি আহমদ বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০ দলীয় জোটের মধ্যে অনেক ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে এলডিপির সঙ্গে বিএনপির। আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে সমর্থন করিনি। কারণ, আমরা জানতে পেরেছিলাম যে, ড. কামাল হোসেনের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আর অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর যুক্তফ্রন্ট আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছিল। পরবর্তীতে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়।’

তিনি যোগ করেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনের পর বিএনপিও একলা চলো নীতি অবলম্বন করে। এখন তারা অনুধাবন করছে যে, এ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে হলে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল ও জাতীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নেতাদের ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সে লক্ষ্যে বিএনপি এখন বিভিন্ন দল ও নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে।’

বৃহৎ এই রাজনৈতিক ঐক্যে জামায়াতে ইসলামী থাকবে কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে এলডিপি সভাপতি বলেন, ‘এখানে থাকা বা না থাকার কোনও প্রশ্ন নেই। সবাই যার যার অবস্থান থেকে কর্মসূচি পালন করবে। তবে আন্দোলনে যারাই অংশ নেবে, তারা সবাই এই ঐক্যের অংশীদার হবে। আমাদের পাটির মতো জামায়াতে ইসলামীও তাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করবে।’

উৎসঃ বাংলা ট্রিবিউন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous post এখন পর্যন্ত ৪৫০ রুশসেনা নিহত!
Next post ১১ দিনের যে কর্মসূচি বিএনপির