ভিডিও >> প্রশ্ন করে হাসির পাত্র মোমেন, উড়িয়ে দিলেন জয়শঙ্করও

জার্মানির মিউনিখে নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সেখানে ভুল ইংরেজিতে প্রশ্ন আর অতিথিদের হাসি-ঠাট্টার মাঝে হাসির খোরাক হিসেবেই যেন কাজ করেছেন তিনি।

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ‘এ সি চেঞ্জ : রিজিওনাল অর্ডার অ্যান্ড সিকিউরিটি ইন দ্য ইন্দোপ্যাসিফিক’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় যোগ দেয়ার পর অনুষ্ঠান সঞ্চালক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান তার কোন প্রশ্ন আছে কী না?

তার জবাবে ভুল ইংরেজিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শুরুর ইংরেজিটা ছিলো এরকম- “দিস ইজ আব্দুল মোমেন, ফ্রম, ফরেন মিনিস্টার অব বাংলাদেশ। ..আই হ্যাভ এ, হাইপতিটিক্যাল কোয়েশ্চন্স। দ্য কোয়েশ্চন ইস…”

তারপর যা বলেন তার বাংলা সার সংক্ষেপ কিছু ছিল এরকম: “অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমরা বেশ ভালো করছি। যেহেতু আমরা ভালো করছি সেক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা বেড়ে গেছে। তারা ভালো মানের জীবনের আরও সুযোগ চায়, আরও অবকাঠামােগত উন্নয়ন চায়। কিন্তু আমাদের টাকা নেই।এমনকি প্রযুক্তিও নেই। এক্ষেত্রে আমরা সমস্যায় রয়েছি।জনগণের চাহিদা মেটাতে, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের উন্নয়ন দরকার।”

তিনি বলেন, “একিসময়ে আরেকটা বিষয় আপনারা জানেন বিভিন্ন দেশ থেকে যে সহযোগিতা আসতো তা কমে যাচ্ছে। এ জন্য জাপানকে ধন্যবাদ। তারা অন্যতম ভালো বন্ধু এবং বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করছে। ভারত লাইন অব ক্রেডিট দিচ্ছে, তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাই।”

মোমেন বলেন, “অন্যদিকে চায়না আকর্ষণীয় ও সাশ্রয়ী প্রস্তাবসহ ঝুড়ি ভর্তি টাকা নিয়ে এগিয়ে আসছে।”

তিনি বলেন, “উন্নয়নের জন্য আমাদের অংশীদার দেশগুলো থেকে অধিক তহবিল দরকার।কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকবাবে যেটা দেখা যায় তারা প্রচুর শর্ত দিয়ে এ কাজে সহযোগিতা দিতে চান।এটি খুবি কঠিন কাজ।”

ভিডিও ….click here

মোমেন জানান, “বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে সর্বোচ্চ ঋণ নিয়ে থাকে বাংলাদেশ। কিন্তু আমাদের আরও প্রয়োজন।কারণ উন্নয়নের জন্য চাহিদা ব্যাপকতর বেড়েছে।”

এরপরই তিনি অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরিস পেইনের কাছে থেকে জানতে চান বড় আকারের প্রজেক্ট নিয়ে তার দেশ বাংলাদেশের মত দেশগুলোতে বিনিয়োগ করবে কীনা?

তখন অনেকটা তীর্যক জবাবে মরিস পেইন বলেন, “আমি মনে করি প্রশ্নটা করা হয়েছে ভারতের মন্ত্রীকে।” এসময় সঞ্চালকসহ মঞ্চের সবাইকে হাসতে দেখা যায়।

পেইন বলেন, “তাদের বাইরে সরাসরি আপনাদের প্রয়োজন ।”

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. জয়শঙ্কর তখন টিপ্পনি কেটে অস্ট্রেলিয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, “আমার যা মনে হয় তা হলো- তিনি (মোমেন) হয়ত ভেবেছিলেন আপনাদের টাকা বেশী আছে।” সবাইকে তখন পাশ থেকে হাসতেই দেখা যায়।

উৎসঃ জাস্টনিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Previous post চাকরির প্রলোভনে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ধর্ষণ করলেন যুবতীকে
Next post ‘পুলিশ ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে, একটা রাতও ঘুমাতে পারেনি’