স্যাটেলাইট, অমুক তমুক সেতু এগুলো দুর্নীতির প্রজেক্ট: ইশরাক

এলাকাবাসীর সুখে দুঃখে পাশে থাকার প্রতিজ্ঞা করলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার ত্রিমোহনী বাজারে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এরপর তিনি গণসংযোগ শুরু করেন। এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে ইশরাক বলেন, প্রতিজ্ঞা করছি, সুখে দুঃখে আপনাদের পাশে থাকবো। গত ১৩ বছরে দেশকে তিলে তিলে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই, কারো কথা বলার অধিকার নেই। উন্নয়নের নামে ধোয়া তোলা হচ্ছে কিন্তু আমরা কোনো উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি না। ঢাকা আজকে সবচেয়ে দূষিত ও বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় ১ নম্বরে আসে। এই এলাকায় আসার সময় দুই পাশের যে জলাশয়, রাস্তা-ঘাটের করুণ দশা দেখেছি, তা দেখে সত্যিই খারাপ লেগেছে।

ইশরাক অভিযোগ করেন, এই সরকার বলে তারা উন্নয়ন করেছে, স্যাটেলাইট পাঠাচ্ছে, অমুক সেতু, তমুক সেতু। কিন্তু এগুলো সবই আসলে দুর্নীতির প্রজেক্ট। মেগা প্রজেক্ট তারা করছে, সেখান থেকে লক্ষ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে আরাম আয়েশে তারা ফুর্তি করছে। আর বাংলাদেশের আমরা যারা সাধারণ জনগণ, নাগরিকরা রয়েছি, তাদের দিন দিন দুরদশা বেড়েই চলেছে।

এ সময় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে তিনি বলেন, আমি আপনারদের কাছে প্রতিজ্ঞা করতে চাই, আগামী ৩০ তারিখে যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন, সেখান থেকে আমরা আপনাদের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে আমরা রয়েছি, সেটাকে চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য কাজ করবো। এবং আপনাদের কাছে প্রতিজ্ঞা করছি, আপনাদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকবো। তিনি বলেন, সিটি নির্বাচন আমি ইশরাক হোসেনের লড়াই নয়, এটা ধানের শীষের লড়াই, জনগনের লড়াই, গণতন্ত্রের লড়াই। আপনারা সেই লড়াইয়ে শরিক হবেন।

নির্বাচনী প্রচারণাকালে ইশরাকের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস সহ স্থানীয় বিএনপি’র নেতা, ছাত্রদল, যুবোদল, মহিলাদল, সেচ্ছাসেবক দল সহ হাজার হাজার নেতা-কর্মী উপস্থিত হয়। গণসংযোগে এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশলবিনিময়, ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেন।

এফএএস/এসএ

খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের আবেদন করলে সরকার বিবেচনা করবে

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের আবেদন করা হলে সরকার বিষয়টি বিবেচনা করবে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট বারে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে দেশে বা বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। এরই প্রেক্ষিতে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল আজ এ কথা জানালেন।

ওইদিন ফোরামের আহ্বায়ক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছিলেন, ‘ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১(১) ধারা মোতাবেক খালেদা জিয়ার দণ্ডাদেশ স্থগিত করে তার ইচ্ছামতো চিকিৎসা নিতে দেশে-বিদেশে সুযোগ দেয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘সাধারণত অনেকদিন সাজা খাটার পর সাজা সাসপেন্ড করা হয়। অনেকদিন সাজা খাটার পরে সরকার বিশেষ বিবেচনায় এটা করে, করতে পারে। সে রকম কেস যদি তারা মেইক আউট করতে পারে, সেটা সরকারের ব্যাপার।’ তিনি আরও বলেন, ‘জেলখানায় যারা থাকেন এবং বহুদিন কারাদণ্ড ভোগ করেন ৪০১ (১) ধারা (ফৌজদারি কার্যবিধি) অনুযায়ী তাদের নানাবিধ বিবেচনায় অনেক সময় স্থগিত করা হয়। কিন্তু তারা যদি প্রমাণ করতে পারেন, তবে সে ব্যাপারে সরকার দেখবে।’

এমআর/এনই

Author: shafah

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *